বেনাপোল বন্দর হ্যান্ডলিংক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ওহিদুল ইসলাম জানান, ট্রাক কাভার্ডভ্যান ধর্মঘটে টানা ৪ দিন ধরে বেনাপোল বন্দরে পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা যেমন লোকশানে পড়েছেন তেমনি তার দিন আনা দিন খাওয়া বন্দর শ্রমিকেরাও কাজ হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন। সন্তোষজনক সমাধানের মধ্য দিয়ে দ্রুত ধর্মঘট প্রত্যাহারের দাবী জানান তিনি।
ভারত বাংলাদেশে ল্যাণ্ডপোট ইমপোর্ট-এক্সপোট কমিটির চেয়ারম্যান মতিউর রহমান জানান , ৪দিন ধর্মঘটের কারনে বেনাপোল বন্দরে প্রায় ভারতীয় ৭শ ট্রাক খালির অপেক্ষায় আটকা পড়েছে। এসব ট্রাক প্রতি প্রতিদিন আমদানি কারককে ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত ট্রাক ভাড়া গুনতে হচ্ছে। এছাড়া রফতনি পণ্যও আসতে পারছেনা বন্দরে। তেলের মুল্য সহনয়ি পর্যায়ে রেখে দ্রুত ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহবান জানান তিনি।
বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক(প্রশাসন) আব্দুল জলিল জানান, ধমৃঘটের কারনে ব্যবসায়ীরা বন্দর থেকে পণ্য খালাস নিতে পারছেন না। তবে এপথে ভারত থেকে পণ্য নিয়ে ট্রাক চালকেরা বন্দরে আসছে। আমদানি কারকেরা পণ্য খালাস নিলে বন্দর সব সময় প্রস্তুত রয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি রাজু আহম্মেদ জানান, পরিবহন ধর্মঘটের কারনে এপথে যাত্রী যাতায়াত কমে গিয়েছিল। বাস ধর্মঘট প্রত্যাহারে আবারো যাত্রী যাতায়াত বড়েছে।
বেনাপোল সোহাগ পরিবহনের ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম জানান, পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারে রোববার রাত থেকে তারা যাত্রীবাহী বাস ছাড়ছেন। সরকার নির্ধারিত ভাড়া বৃদ্ধি করে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে।